• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

মাটি খেয়ে বেঁচে আছেন রামেশ্বর!

215842_1সিসি ডেস্ক: শৈশবে অনেক বাচ্চারা মাটি বা অন্যান্য হাবিজাবি জিনিস খেয়ে থাকে। তারা তো না বুঝে এসব খায়। এজন্য পেটের পীড়ায় ভোগে অনেক শিশু। কিন্তু আপনি শুনে অবাক হবেন যে ভারতের একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিয়মিত মাটি খান। ভাত মাছের বদলে এটিই তার অন্যতম প্রিয় খাদ্য।

তিনি গত ১৭ বছর ধরে নিয়মিত মাটি খেয়ে চলেছেন। দিনে কমপক্ষে আধা কেজি মাটি খেয়ে থাকেন। কিন্তু এতে তার কোনোরকম পেটের পীড়া বা অন্য কোনো সমস্যা হয় না। বরং নিজের এই বিচিত্র খাদ্যাভ্যাস তাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে বলে তিনি দাবি করেছেন। ওই লোকের নাম রামেশ্বর। বাড়ি ভারতের উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদ জেলায়। পেশায় একজন কৃষক।

মাটিখেকো হিসেবে এলাকায় তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই বুঝি তার কাছে যেতে চাইলে ঠিকানা লাগে না। মারাদাবাদের হরিদ্বারে গিয়ে যে কারো কাছে গিয়ে বললেই তার বাড়ি দেখিয়ে দেবে। গত ১৭ বছর আগে এক অদ্ভূদ অসুখ হয়েছিল তার। মুখ দিয়ে কেবল রক্ত বের হত। তখন চিকিৎসকরা এর কোনো চিকিৎসা বের করতে ব্যর্থ হন। মুখের রক্তপাত থামাতে মাটি খেতে শুরু করেন তিনি। সেই শুরু। এখনো চলছে মাটি খাওয়া। শুধু কি মাটি, ইট, বালু, পাথর সবই খান তিনি। দিব্যি হজমও হয়ে যায় সব। কোনো ধরনের সমস্যাই হয় না।

তার দাবি, মাটি খাওয়ার কারণেই মুখগহ্বর থেকে রক্তপড়ার জটিল অসুখ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সেরে ওঠার পরও ওই অভ্যাস যায়নি। তাইতো প্রতিদিন নিয়ম করে মাটি খান। এখন এটিই তার সবচেয়ে প্রিয় খাবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ